পেরেস্ত্রৈকা সম্পর্কে আলোচনা করো।
পেরেস্ত্রৈকা সম্পর্কে আলোচনা করো। পেরেস্ত্রৈকা অর্থ হল পুনর্গঠন। মিখাইল গর্বাচভ এই নীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কার করতে চেয়েছিলেন। তাঁর এই সংস্কারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল স্তালিনের প্রবর্তিত ব্যবস্থাকে আরও বেশী মানবিক ও গণতান্ত্রিক করে তোলা। ১৯৮৬ খ্রিঃ নভেম্বরে গর্বাচভ ঘোষণ করেন যে, ১৯৮৭ খ্রিঃ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এই পেরেস্ত্রৈকা নীতি প্রয়োগ করা হবে। বিভিন্ন ক্ষুদ্রায়তনের উদ্যোগে এই নীতি প্রয়োগ করা হবে। এই নীতি অনুযায়ী পারিবারিক রেস্তোরাঁ, পারিবারিক ব্যবসা যেমন- পোষাক তৈরী করা, হস্তশিল্প অথবা দূরদর্শন, গাড়ীচালনা ক্ষেত্রে পরিষেবা, বাড়ী রং করা এবং সাজানো, বেসরকারীভাবে বিশেষ শিক্ষা দেওয়া প্রভৃতি জনগণ করতে পারবে। শ্রমিক বা কর্মীদের নিয়ে সর্বোচ্চ পঞ্চাশজনের সমবায় গঠন করতে পারবে। এইসমস্ত ক্ষেত্রে বাক্তি উদ্যোগকে সমর্থন করা হয়েছিল। কারণ এসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা অতি শ্লথ বা ধীর। সুতরাং পেরেস্ত্রৈকার মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নের প্রয়োজন। নিয়োগের ক্ষেত্রে বিকল্প নিয়োগের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। বিভিন্ন কারখানা ও কাজকর্মের জায়গায় বৈদ্যুতিন কারিগরী ও অন্যান্য দ্রুত কারিগরী ব্যবস্থার প্রবর্ত…
About the author
"আমি সেই মেয়ে, যে শব্দে বাঁচে। কলম আমার অস্ত্র, আর কাগজ আমার স্বপ্নের আকাশ। প্রতিটি অনুভব, প্রতিটি চিন্তা আমি সাজিয়ে রাখি অক্ষরের গাঁথুনিতে। কখনো গল্পে, কখনো কবিতায়, আবার কখনো নিঃশব্দের ভেতরে। আমি লিখি, কারণ লেখার মাঝে আমি নিজেকে খুঁজে পাই। …